
নিজস্ব প্রতিবেদক | সিটিজি মেইল | ১৩ জুলাই ২০২৬, সোমবার
চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ছিলেন একজন সুপরিচিত ও অভিজ্ঞ নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া অঞ্চলের শিক্ষা, সড়ক যোগাযোগ, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান স্থানীয় মানুষের কাছে প্রশংসিত। নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার কারণে তিনি একজন জনবান্ধব রাজনীতিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জনকল্যাণে অবদান ভবিষ্যতেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্থানীয় নেতারা।
তাঁর মৃত্যুতে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন। একই সঙ্গে তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী ছিলেন একজন সুপরিচিত ও অভিজ্ঞ নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া অঞ্চলের শিক্ষা, সড়ক যোগাযোগ, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান স্থানীয় মানুষের কাছে প্রশংসিত। নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার কারণে তিনি একজন জনবান্ধব রাজনীতিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে শ্রমিকদের অধিকার রক্ষা, কর্মপরিবেশ উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং জনকল্যাণে অবদান ভবিষ্যতেও স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও স্থানীয় নেতারা।
তাঁর মৃত্যুতে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন। একই সঙ্গে তাঁর পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।